

বিষয়টি নিয়ে এলাকাজুড়ে ক্রোধ অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে বেড়া থানা, উপজেলা প্রশাসনের কাছে কী একটা জাতীয় পতাকাও ছিলোনা? বিষয়টি নিয়ে তদন্তের দাবি করছি।

এর আগে ক্ষমাহীন আচরনের জন্য বেড়ার ইউএনও, ওসির স্ট্যান্ড রিলিজ চাই, যাতে অদূর ভবিষ্যতে কেউ আর এই ধরনের ঘটনা বা এদেশের একজন মুক্তিযুদ্ধা কে অপমান, বা তার শেষযাত্রায় অসম্মান করার সাহস মানুষিক শক্তিই যেনো না পায়.
আ ক ম মোজাম্মেল হকের এই মুহূর্তে পদত্যাগ করা উচিত। আহাদ চৌধূরীর বাংলা
ছাড়া উচিত কারন মুক্তিযুদ্ধ আর মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে এ রংগ লীলা খেলতে দেয়া
যায় না। বাঙ্গালী কবে জেগে উঠবে? আর কত আমরা জাতিরজনক বঙ্গবন্ধুর আত্মাকে
এভাবে কষ্ট দেবো? আর কত লাঞ্ছিত হবে মুক্তিযোদ্ধা এবং তাদের বিদেহী আত্মা ও
মরদেহ? জীবদ্ধশায় তো কিছু পেলোইনা, মৃত্যুর পরে জাতীয় পতাকাও ভাগ্যে
জুটলোনা। এ কোন স্বাধীনতা হে বাঙ্গালী?
মোজাম্মেল হক সাহেব লজ্জা থাকলে পদত্যাগ করুন।
মোজাম্মেল হক সাহেব লজ্জা থাকলে পদত্যাগ করুন।
No comments:
Post a Comment